কুলাউড়ার উন্নয়নের জন্য মৌলভীবাজার ২ আসনে আবু জাফর রাজুকে চায় কুলাউড়াবাসী কুলাউড়ার উন্নয়নের জন্য মৌলভীবাজার ২ আসনে আবু জাফর রাজুকে চায় কুলাউড়াবাসী – ফেঞ্চুগঞ্জ নিউজ
  1. admin@fenchuganjnews.com : admin :
১৪ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ| ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| শুক্রবার| বিকাল ৫:২৭|

কুলাউড়ার উন্নয়নের জন্য মৌলভীবাজার ২ আসনে আবু জাফর রাজুকে চায় কুলাউড়াবাসী

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৩

মোহাম্মদ আবু জাফর রাজু। তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-২ পদে দায়িত্বে আছেন। তিনি কুলাউড়ার কৃতি সন্তান। তাঁর পিতা সাবেক এমপি ও বাংলাদেশ কৃষক লীগের প্রাক্তন কেন্দ্রীয় সভাপতি মরহুম আব্দুল জব্বার বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। পিতার আদর্শ এবং প্রধানমন্ত্রীর স্নেহধন্য হয়ে কুলাউড়ার উন্নয়নে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তিনি। একজন কর্মকর্তা হয়েও কুলাউড়া উপজেলায় হাজার কোটি টাকার উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছেন বলে তিনি জানিয়েছেন। এছাড়া আরও প্রায় হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন অনুমোদনের পথে রয়েছে বলে তিনি জানান।

 

এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার মোহাম্মদ আবু জাফর রাজু জানান,কুলাউড়া সংসদীয় আসনে সরকার দলীয় এমপি না থাকায় জনগন উন্নয়ন বঞ্চিত যাতে না হয় সেজন্য প্রধানমন্ত্রীর সহযোগীতা ও নির্দেশনায় বিভিন্ন মন্ত্রনালয় থেকে কুলাউড়াবাসীর উন্নয়নে আমি ভূমিকা রাখছি। প্রধানমন্ত্রীর সহযোগীতায় কুলাউড়ায় হাজারো কোটি টাকার উন্নয়ন আনা সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, জনগন এবং দলের নেতাকর্মীদের বিশ্বাস,নেত্রী আমাকে নৌকা উপহার দিলে আমি কুলাউড়ার মানুষের ভালবাসায় নেত্রীকে নৌকা উপহার দিতে পারব।

 

বিগত সাড়ে চার বছরে প্রধানমন্ত্রী আবু জাফর রাজু’র মাধ্যমে মৌলভীবাজার-২ কুলাউড়া সংসদীয় এলাকার মানুষের জন্য যে উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন তার কয়েকটির চিত্র তুলে ধরা হলো। সেতু বিভাগ থেকে ১১.৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ফানাই নদীর উপর ব্রীজ নির্মানাধীন। সড়ক পরিবহন ও সহাসড়ক বিভাগ থেকে কুলাউড়া শহরকে যানজট মুক্ত করার জন্য ৪১ কোটি টাকা ব্যয়ে চারলেনে উন্নীতকরণের জন্য প্রকল্প গ্রহণ। দুর্যোগ ও ত্রাণ ব্যবস্থাপনা থেকে ১৭টি কাঁচা রাস্তা পাকাকরণ ও ১ কোটি ৬৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ২টি ব্রীজ নির্মাণ।

 

মিঠুপুর ও আবুতালিপুর গ্রামের সংযোগ স্থলে গোপালীছড়ার উপর সেতু নির্মাণ ৮৫ লক্ষ হাজার টাকা, তিলাশীজুড়া হিঙ্গাজিয়া হাওর মুখী রাস্তায় থামেশ্বর নদীর উপর সেতু নির্মানে ৮৩ লক্ষ টাকা,স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১৯৩টি, ২০২১-২২ অর্থবছরে ৫৭টি, ২০২০-২১ অর্থবছরে ২৭টি রাস্তার অনুমোদন। নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার প্রকল্পে ২৩.৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে উপজেলায় ১০৩৪টি গভীর নলকূপ এবং কমিউনিটি নলকূপ স্থাপন, গ্রীণ হাউজ গ্যাস নি:সরণ কমানোর লক্ষে সৌর বিদ্যুতায়ন ও সড়কবাতি স্থাপন প্রকল্পে ৪ কোটি টাকা বারদ্ধ ,ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে ১৭টি মসজিদ, কবরস্থান, ঈদগাহ, মন্দির ও শ্বাশ্মান ঘাটে ৮ লক্ষ ২০ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে।

 

ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে ১৬টি মসজিদ পাঠাগার স্থাপনের জন্য বই ও আলমিরা প্রদান করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগ থেকে ১৩টি ভবন/শ্রেণীকক্ষ নির্মাণের মোট ১৬ কোটি ১০ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা, ২০২০-২১ অর্থ বছর ভবন নির্মাণ ৫টি প্রতিষ্ঠানে ১ কোটি টাকা করে ৫ কোটি টাকা বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে। মেরামত ও সংস্কার জন্য ২১টি স্কুল/কলেজ মোট ৩ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা, ২০১৯-২০ অর্থ বছরে ৮টি প্রতিষ্ঠানে ৮০ লক্ষ টাকা (২০২১-২২ অর্থ বছর) ভবন মেরামত ৫টি প্রতিষ্ঠানে ১৫ লক্ষ টাকা করে ৭৫ লক্ষ টাকা, ২০২২-২৩ অর্থ বছরে ৯টি প্রতিষ্ঠানে ২০ লক্ষ টাকা করে ১ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা ,আসবাবপত্র প্রস্তুত ও সরবরাহ বাবৎ মোট ২৪টি প্রতিষ্ঠানে ৩ কোটি ২৯ লক্ষ ১৯ হাজার টাকা বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে। এছাড়া মাদ্রাসায় ৬টি ভবন নির্মাণের জন্য মোট ৭ কোটি ৫৯ লক্ষ টাকা, মেরামত ও সংস্কার বাবৎ ৫ টি প্রতিষ্ঠানে ২০ লক্ষ টাকা করে ১ কোটি টাকা বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে।

 

এছাড়া ১০টি স্কুল/কলেজ ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে ৫০ হাজার টাকা করে ৫ লক্ষ টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ক্লাব ও সামাজিক সংগঠনে আর্থিক অনুদান বিতরণ, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় ক্রিড়া সামগ্রী বিতরণ, ৭৫টি ক্লাব ও সামাজিক সংগঠনে মাধ্যমে ক্রিড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়াও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে দরিদ্র মহিলাদের ৫০টি সেলাইমেশিন বিতরণ, ১৮৮জন নারীকে ১০ হাজার টাকা করে মোট ১৮ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়।

 

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে অসহায়, দরীদ্র, নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী, মুক্তিযোদ্ধা, বিশেষ শিশুদের ও আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ছাত্রলীগের প্রয়াত পরিবারে সদস্যদের মধ্যে প্রায় ২ কোটি ৬৯ লক্ষ টাকা প্রদান করা হয়েছে।সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে লিভার,ক্যান্সার, কিডনী, স্ট্রোক ও প্যারালাইজড ৭৬৩ জন রোগীদের মধ্যে ৩ কোটি ৮১ লক্ষ টাকা প্রদান করা হয়েছে এবং আরো ২৬৫ টি আবেদন বিবেচনাধীন রয়েছে বলে আবু জাফর রাজু জানিয়েছেন।

এব্যাপারে কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আ.স.ম কামরুল ইসলাম জানান, প্রধানমন্ত্রীর বিশ^স্থ প্রটোকল অফিসার আবু জাফর রাজু কুলাউড়ায় ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনা করছেন। কুলাউড়ার মানুষের ভরসার প্রতিক হয়ে উঠেছেন তিনি। নেত্রী আবু জাফর রাজুকে নৌকার মনোনয়ন দিলে কুলাউড়াবাসী প্রধানমন্ত্রীকে এ আসনটি উপহার দিবে বলে আমার দৃড় বিশ্বাস ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর