
রুমেল আহসান:: সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেডে (এসএফসিএল) উৎপাদিত সার পরিবহন বোঝাইকরণ কাজের টেন্ডার (দরপত্র) পাওয়ার পর পুনঃদরপত্র (রি-টেন্ডার) করার অভিযোগ উঠেছে। দরভিত্তিক অবস্থানে প্রথম স্থানে থাকা সত্ত্বেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স মালেক এন্ড ব্রাদার্সকে কাজ না দিয়ে সার কারখানা কর্তৃপক্ষ টেন্ডার-রিটেন্ডার খেলা করছে।
জানা যায়, সার কারখানার উৎপাদিত সার (প্রতি বস্তা ৫০ কেজি ওজনের) কারখানা থেকে বিভিন্ন প্রকার পরিবহনে বোঝাইকরণ কাজের দরপত্র আহ্বান করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়৷ গত ২৫মে দরপত্র সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত টেন্ডার বাক্সে জমা দেওয়া হয় এবং ওইদিন দুপুর আড়াই টায় দরপত্র খোলা হয়। আটটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টেন্ডার বাক্সে জমা দেন। দরপত্র অনুযায়ী দরভিত্তিক প্রথম স্থানে অবস্থানে করে নেয় মেসার্স মালেক এন্ড ব্রাদার্স। টাকার পরিমাণ দাঁড়ায় ৩৯ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা।
এরপর আবার রি-টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সার কারখানা কর্তৃপক্ষ। পুনঃদরপত্র অনুযায়ী আগামী ২২জুন দরপত্র খোলা হবে।
সার কারখানা সূত্রে জানা যায়, দরপত্রে সর্বোচ্চ দরদাতা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স করিম এন্ড ব্রাদার্স। টাকার পরিমাণ ৭৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। দরপত্রে সর্বনিম্ন দরদাতা মেসার্স মালেক এন্ড ব্রাদার্স।
ভুক্তভোগী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স মালেক এন্ড ব্রাদার্সের সত্ত্বাধিকারী নজরুল ইসলাম মালেক জানান, গত ২৫মে দরপত্র খোলা হয়। সেই দরপত্রে দরভিত্তিক অবস্থানে আমি প্রথম স্থানে ছিলাম। কিন্তু কোনো এক অদৃশ্য কারণে আমাকে কাজ না দিয়ে আবার রি-টেন্ডার করা হয়েছে। প্রথম দরদাতাকে বাদ দিয়ে অন্য কোনো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার পাঁয়তারা করে এই রি-টেন্ডার করা হয়েছে। চলতি ২০২১-২২ইং পরিবহন বোঝাইকরণে আমার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। আগামী ৩১ জুন পর্যন্ত এই মেয়াদ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কারখানার সার পরিবহন বোঝাইকরণে সর্বনিম্ন দরদাতা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দরভিত্তিক প্রথম স্থানে অবস্থান করে এবং দরপত্রের কাজ পেয়ে থাকে।
এ বিষয়ে এসএফসিএলের মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্যিক) সেরনিয়াবাদ রেজাউল বারী বলেন, এই বিষয়ে সার কারখানার উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া গণমাধ্যমে কিছু বলা যাবে না।