ফেঞ্চুগঞ্জে দোকানে দোকানে পানি ফেঞ্চুগঞ্জে দোকানে দোকানে পানি – ফেঞ্চুগঞ্জ নিউজ
  1. rumelahsan80@gmail.com : Rumel Ahsan : Rumel Ahsan
  2. rumelahsan12@gmail.com : admin :
১৬ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২রা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ| বসন্তকাল| সোমবার| রাত ৮:৩৭|
সর্বশেষ :
আন্তঃনগর ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ বাতিল ঢাকা-সিলেট রুটে ১০০ কিলোমিটার স্পিডে ট্রেন চালানো লক্ষ্য আমাদের: মন্ত্রী আরিফুল পারিবারিক কলহের জের ধরে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই নি/হ/ত ফেঞ্চুগঞ্জে ঈদ উপহার বিতরণ ফেঞ্চুগঞ্জে বাস-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল যুবকের সিলেটের যে বাসায় অ/প/হ/র/ণ চক্রের গোপন আস্তানা: প্রবাসীসহ উ-দ্ধা-র ২, আ-ট-ক ১০ মোগলাবাজারে শ্যালিকার অশ্লীল ভিডিও ফেসবুকে, দুলাভাই গ্রেপ্তার ফেঞ্চুগঞ্জে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় প্রাণ গেলো নারীর  ডিসি সারোয়ারের বিরুদ্ধে মামলার জন্যে মন্ত্রণালয়ের অনুমতি চাইলেন আদালত ফেঞ্চুগঞ্জে কুরকুছি খাল খননে দায়সারা কাজ, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

ফেঞ্চুগঞ্জে দোকানে দোকানে পানি

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেটের সময় :রবিবার, জুন ১৯, ২০২২

রুমেল আহসান: ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা সদরের ব্যবসায়ী ফখরুল ইসলাম। বন্যার কারণে তার দোকানে পানি ঢুকে পড়ায় মেঝেতে কয়েক দফা ইট ফেলে কোনো রকমে দোকানঘরে চলাফেরা করছেন। বেড়েছে সাপের উপদ্রবও। অন্য সময় দোকানে দৈনিক বিক্রি হতো ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। কিন্তু বন্যা দেখা দেওয়ার পর থেকে গড়ে ২০ টাকাও বিক্রি হচ্ছে না।

শুধু ব্যবসায়ী ফখরুল ইসলাম নয়, বন্যার কারণে এ উপজেলা সদরের বাজারে অবস্থিত প্রায় তিন শতাধিক দোকানে পানি ঢুকে পড়েছে। এ অবস্থায় বেচাকেনা বন্ধ রয়েছে। যেসব দোকানে একটু কম পানি ঢুকেছে, কেবল সেখানেই কিছুটা বেচাকেনা হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা জানান, দু’দিনে এ অবস্থা হবে, কেউ ভাবতে পারেন নি।

বন্যার কারণে তিনদিন ধরে এ উপজেলায় চারদিকে কেবল পানি আর পানি। বাসাবাড়ি, দোকানপাট, সরকারি-বেসরকারি অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-সবখানেই পানি। কোথাও হাঁটুপানি, কোথাও কোমর অথবা বুকসমান পানি।

উপজেলার অর্ধশতাধিক গ্রামের ৪০ হাজার মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় বসবাস করছে। তবে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে বৃষ্টি বেড়ে যাওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। পার্শ্ববর্তী কুশিয়ারা নদীর পানি উপচে এ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, বন্যার কারণে উপজেলার অর্ধশতাধিক গ্রামের ৪০ হাজার মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় বসবাস করছে। পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে উপজেলায় ১৪টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। সেখানে ৫২টি পরিবার আশ্রয় নিয়েছে।

সিলেটের পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী গোলাম বারী বলেন, ভারতের আসামের বরাক উপত্যকায় সম্প্রতি ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়েছে। তাই কুশিয়ারার পানি এখন উপচে বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, বৃষ্টি না কমলে বন্যা পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের কোনো উপায় নেই।

ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সীমা শারমিন বলেন, উপজেলা সদরের পার্শ্ববর্তী কুশিয়ারা নদীর পানি মারাত্মকভাবে বেড়ে যাওয়ায় উপজেলাজুড়ে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। তবে বন্যার্ত মানুষের প্রয়োজনীয় সহায়তা করতে উপজেলা প্রশাসন আন্তরিকভাবে প্রচেষ্টা করছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, তাই দুর্ভোগ তো কিছুটা হবেই।

শাহীন আহমদ নামের সদরের এক বাসিন্দা জানান, তার বাসায় হাঁটুসমান পানি। এ কারণে ঘরে কিছু ইট ফেলে, তার ওপর কয়েকটি চৌকি বিছিয়ে কোনো রকমে মাচা বেঁধে বসবাস করছেন। তবে ঘরে দুটি শিশু থাকায় তার চিন্তা বেশি হচ্ছে। কখন জানি তারা পানিতে পড়ে যায়, এ নিয়ে তার দুর্ভাবনা হচ্ছে। এ ছাড়া রান্নাবান্না করতেও তাদের সমস্যা হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন

© ২০২৫ ফেঞ্চুগঞ্জ নিউজ। সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত।
এই ওয়েবসাইটের ডিজাইন ও কারিগরি উন্নয়ন করেছে Bangla IT