
স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়ছে সিলেট। কুশিয়ারা নদীর পানি বেড়েই চলছে। এতে পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে কুশিয়ারা নদীর পানি উপচে
ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় পানি ঢুকে পড়েছে সব জায়গায়। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে সড়ক।
এ পর্যন্ত প্রায় অর্ধলক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছেন। পানি ঢুকে পড়েছে সব জায়গায়। ফেঞ্চুগঞ্জ সদর ইউনিয়নের ৯০ শতাংশ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। নৌকা দিয়ে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় যাতয়াত করতে হচ্ছে।
বন্যার কারণে ভয়াবহ দুর্ভোগে পড়েছেন ফেঞ্চুগঞ্জে মানুষজন। পানিতে মাইজগাঁও উপকেন্দ্র ও সঞ্চালন লাইন তলিয়ে যাওয়ায় পালবাড়ি এলাকা থেকে সঞ্চালন লাইন চালু করা হয়েছে। গত শনিবার রাত ১১টায় বিদ্যুৎ চলে যায়। ১৮ ঘন্টা পর গত রোববার দুপুর ২টায় বিদ্যুৎ চালু করা হয়৷
ছত্তিশ গ্রামের জুনেদ আহমদ মাল্লুম বলেন, ‘পানিবন্দি অবস্থায় আছি; সড়কে কোমর সমান পানি। নৌকা ছাড়া কোথাও যাতায়াত করা যাচ্ছে না। ফলে দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।’
ঘরে পানি উঠে যাওয়ায় পরিবারের সদস্যদের আত্মীয়ের বাসায় রেখে এসেছেন ফেঞ্চুগঞ্জ বাজারের বাসিন্দা মনিলাল ভৌমিক। তিনি বলেন, পানি যে হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বন্যার অবনতি হচ্ছে। মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই।’
পিঠাইটিকর গ্রামের ইব্রাহিম আহমদ বলেন, বন্যার পানিতে টিউবওয়েল তলিয়ে গেছে। বিশুদ্ধ খাবার পানির অভাব দেখা দিয়েছে।
‘রাস্তাঘাট ও দোকানপাট তলিয়ে যাওয়ায় পানি কিনে আনার মতোও অবস্থা নেই। ফলে খাওয়ার পানির পাশপাশি গোসল ও টয়লেটের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।’