রুমেল আহসান: ফেঞ্চুগঞ্জে ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি। ঘরের চাল ছুঁই ছুঁই পানিতে তলিয়ে আছে হাজার হাজার বাড়ি।
অপেক্ষাকৃত উঁচু জায়গা, বহুতল ভবন, স্কুল ও মাদরাসায় আশ্রয় নেওয়া মানুষগুলো ঘরে ফিরতে পারছে না। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন মানুষের এখন বেশি দরকার শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ খাবার পানি।
কুশিয়ারার পানি বৃদ্ধির ফলে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। মুহূর্তের মধ্যে বৃদ্ধি পেয়ে তলিয়ে যাচ্ছে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, হাটবাজার। এ উপজেলার অন্তত ৮০ ভাগ মানুষ বর্তমানে পানিবন্দি রয়েছেন।
দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সুরমা তীরবর্তী এলাকায় উন্নতি হলেও পাশ্ববর্তী ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা সংলগ্ন এলাকাগুলোতে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় ফেঞ্চুগঞ্জে বন্যার পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে।
রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ব্যাহত হচ্ছে যোগাযোগ। এদিকে বন্যা আক্রান্ত উপজেলাগুলোতে তীব্র খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। রাস্তাঘাট ও হাটবাজার তলিয়ে যাওয়ায় বেশির ভাগ দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়া খাদ্যসামগ্রীর দাম দ্বিগুণ হয়ে গেছে।