ফেঞ্চুগঞ্জে যখন-তখন লোডশেডিং, বিপাকে মানুষজন ফেঞ্চুগঞ্জে যখন-তখন লোডশেডিং, বিপাকে মানুষজন – ফেঞ্চুগঞ্জ নিউজ
  1. admin@fenchuganjnews.com : admin :
  2. rumelahsan80@gmail.com : Rumel Ahsan : Rumel Ahsan
৭ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ| ২২শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ| হেমন্তকাল| রবিবার| রাত ১২:০৮|
সর্বশেষ :
সিলেট-ফেঞ্চুগঞ্জ সড়কে গাড়ি আটকে ডাকাতি ফেঞ্চুগঞ্জে ‘প্রকৃতির জন্য শিশুরা’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি প্রমাণ করে জনগণ বিএনপি প্রার্থীর পাশে রয়েছে: এম.এ মালিক ফেঞ্চুগঞ্জে হাজী সাজ্জাদ আলী শিক্ষা ট্রাস্টের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত  ফেঞ্চুগঞ্জে গণপ্রকৌশল দিবস ও ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স জেলা কমিটি গঠিত সিলেট জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন ফেঞ্চুগঞ্জের মনিরুজ্জামান খান ফেঞ্চুগঞ্জে ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মাদক কারবারি আটক ফেঞ্চুগঞ্জে ৪ জন শিক্ষক চাকরিচ্যুত দেশে ফিরলেন ফেঞ্চুগঞ্জ বিএনপির সভাপতি ওহিদুজ্জামান ছুফি চৌধুরী ফেঞ্চুগঞ্জ বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে আগুন, বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ

ফেঞ্চুগঞ্জে যখন-তখন লোডশেডিং, বিপাকে মানুষজন

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৮ আগস্ট, ২০২২

রুমেল আহসান: সষ্কটকালীন পরিস্থিতি বিবেচনায় শিডিউল করে লোডশেডিংয়ের নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় পল্লী বিদ্যুৎ আঞ্চলিক কার্যালয় শিডিউলও তৈরি করেছে। কিন্তু লোডশেডিংয়ের হিসাব মিলছে না। যখন তখন লোডশেডিং হচ্ছে। শিডিউলের বাইরেও ঘন্টার পর ঘন্টা লোডশেডিং থাকছে। এতে বিপাকে পড়েছেন মানুষজন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ-১ এর ফেঞ্চুগঞ্জ জোনাল অফিস এলাকাভিত্তিক দৈনিক দুই ঘন্টা লোডশেডিং এর তালিকা প্রকাশ করে। কিন্তু উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দৈনিক ৫-৬ বার বিদ্যুৎ চলে যায়। কোথাও কোথাও আবার ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৮ ঘন্টা পর্যন্ত থাকছে না। বিশেষ করে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার উত্তর কুশিয়ারা ও উত্তর ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়নে লোডশেডিং বেশি হচ্ছে।

সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ-১ এর ফেঞ্চুগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত ৯টায় তাদের চাহিদা ছিল সাড়ে ৮ মেগাওয়াট। সরবরাহ ছিল ৪ মেগাওয়াট। ঘাটতি ছিল সাড়ে ৪ মেগাওয়াট। এ জন্য ২৪ ঘন্টায় সাড়ে ৪ ঘন্টারও বেশি লোডশেডিং দিতে হয়েছে। এছাড়াও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় দৈনিক গড়ে প্রায় ৯ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা। সরবরাহ হয় ৩ থেকে ৩.৫ মেগাওয়াট বা ৪ মেগাওয়াট।

ফেঞ্চুগঞ্জ বাজারের কাপড়ের দোকানদার রুবেল ভৌমিক বলেন, ‘লোডশেডিংয়ের কারণে চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটছে। দুই ঘন্টা পর বিদ্যুৎ এসে ১৫ মিনিট থেকে আবার চলে যাচ্ছে। আবার দুই ঘন্টা পরে এসে কিছুক্ষণ থেকে চলে যাচ্ছে।’

উপজেলার পিঠাইটিকর গ্রামের বাসিন্দা জলিল আহমদ বলেন, ‘অসহনীয় শোডশেডিং শুরু হয়েছে। চার-পাঁচ ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। আসে আর যায়। লোডশেডিংয়ের কারণে আমরা বিপাকে পড়েছি। অসুস্থ বয়স্ক লোকজন ও শিশুদের বেশি কষ্ট হচ্ছে।’

সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ-১ এর ফেঞ্চুগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) সনৎ কুমার ঘোষ বলেন, ‘চাহিদার থেকে সরবরাহ কম থাকায় লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। আমাদের কিছুই করা নেই। বৃষ্টি না হলে হয়তো এ অবস্থার উন্নতি হবে না। বৃষ্টিতে তাপমাত্রা কমলে এসির ব্যবহার কমবে। তখন বিদ্যুতের চাহিদা কমবে।’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর