
জৈন্তাপুর উপজেলার বিভিন্ন নদী থেকে বোমা মেশিন দিয়ে অপরিকল্পিতভাবে বালু ও পাথর উত্তোলনে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে দেখা গেছে উপজেলা প্রশাসন।
২ মাস থেকে বোমা মেশিন বসিয়ে অপরিকল্পিতভাবে বালু ও পাথর উত্তোলন করা হচ্ছে। এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে প্রশাসনের নিকট বারবার গণস্বাক্ষরিত অভিযোগ দাখিল করা হলেও অজ্ঞাত কারনে কর্ণপাত করেননি উপজেলা প্রশাসন।
সোমবার (৩ মার্চ) এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে টনক নড়ে উপজেলা প্রশাসনের। পত্রিকার সংবাদ দেখে ঐ দিন বেলা ১১ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফারজানা আক্তার লাবনী।
এসময় ঘটনাস্থলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বোমা মেশিন পাওয়ায় তা অকেজো করা হয়। তবে ঘটনার সাথে জড়িত কাউকে গ্রাপ্তার কিংবা জরিমানা করা হয় নি। অপর দিকে বেলীবিল এলাকায় একটি ক্রাশার মিল থেকে পরিবেশ বিনষ্টের দায়ে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ এর ধারা-১৫ অনুযায়ী ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় সহ অন্য এক প্রতিষ্ঠান থেকে মূল রাস্তার নিকট বালু স্তুপ করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির দায়ে ৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এছাড়া মহাসড়কে হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালানোর অপরাধে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ এর ধারা-৯২ অনুযায়ী ৩টি মামলাসহ দেড় হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
এব্যাপারে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফারজানা আক্তার লাবনী তার ফেসবুকে এক পোষ্টে লিখেন জৈন্তাপুর উপজেলার রূপচেং এলাকায় বোমা মেশিন দিয়ে পাথর ও বালু উত্তোলনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। মেশিনটিকে অকেজো করা হয়, ঘটনাস্থল থেকে আসামীরা পালিয়ে যাওয়ায় দন্ড প্রদান করা যায়নি। এলাকাবাসির দাবী বোমা মেশিনের সরঞ্জামগুলো দ্রুত অপসারণ করা প্রয়োজন, অন্যতায় আবারো বোমা মেশিন চালু হওয়ার আশংকা রয়েছে।