সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের ডিউটি প্রদানের ক্ষেত্রে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ভিডিপি সদস্য সুজন আহমদের বিরুদ্ধে।
গত সোমবার দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় ‘ফেঞ্চুগঞ্জে হাজার টাকা ঘুসে নির্বাচনি ডিউটি’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পরপরই লাপাত্তা হয়ে যান সুজন। মুঠোফোনে কল দিলে সিম বন্ধ পাওয়া যায়। অভিযুক্ত ভিডিপি সদস্যের বিরুদ্ধে আনসার-ভিডিপি’র গোয়েন্দা শাখার মাঠকর্মীরা তদন্ত করছেন।
ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল বলেন, অভিযুক্ত সুজন একজন ভিডিপি সদস্য। ব্যক্তিগত প্রতারণার মাধ্যমে নির্বাচন ডিউটি দেওয়ার কথা বলে সে ঘুষ বাণিজ্য করেছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে। সুজনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় স্বচ্ছতার সহিত আনসার সদস্যদের মনোনীত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ৩৬টি ভোটকেন্দ্রে যেসকল আনসার ও ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন তাদের যাচাই-বাছাই করে মনোনীত করা হয়েছে। এখানে অর্থ বাণিজ্যের কোনো সুযোগ নেই। অভিযুক্ত সুজন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার বাইরে অন্য উপজেলায় জনবল পাঠানোর নামে ঘুস বাণিজ্য করেছে। সে একজন ভিডিপি সদস্য। আমাদের আনসারের কোনো সদস্য নয়। আনসার ভিডিপির গোয়েন্দা শাখা বিষয়টি তদন্ত করছে।