
ফেঞ্চুগঞ্জে হতদরিদ্রদের জন্য স্বল্প মূল্যে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১৫ টাকা কেজি দরের চাল বিক্রিতে ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ডিলারের বিরুদ্ধে।
গত শনিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ২নং মাইজগাঁও ইউনিয়নের ডিলার মাসুদুল ইসলাম রুপনের দোকানে ভ্রাম্যমাণ অভিযান চালানো হয়। এ সময় চাল ওজন দিয়ে এ ঘটনার সত্যতা মিলেছে।
সূত্রে জানা গেছে, মাইজগাঁও ইউনিয়নে ৩০০ পরিবারের মধ্যে ১৫ টাকা কেজি ধরে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের মধ্যে চাল বিতরণ করা হয়। খাদ্য অধিদপ্তরের ১৫ টাকা কেজি দরের ৩০ কেজি চাল দেয়ার কথা থাকলেও প্রকৃত পক্ষে দেয়া হয় ২৪ থেকে ২৬ কেজি চাল।
কার্ডধারীরা ১৫ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি চালের মূল্য দিয়ে চাল নিলেও ওজনে পান কম চাল। সরকারিভাবে বস্তায় সঠিক মাপ থাকার কথা থাকলেও অজানা কারণে প্রতি বস্তায় ৪ থেকে ৬ কেজি কম।
ভুক্তভোগীরা উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি অবগত করে শনিবার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলাম।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ৪১বস্তায় বিভিন্ন মাপে চাল কম পাওয়া যায়। যা মোট ১৬২কেজি। দোকানের মেঝেতে আরো প্রায় ৫২কেজি চাল রাখা ছিল। ম্যাজিস্ট্রেট স্যারের নির্দেশে চালের বস্তাগুলো জব্দ করা হয়েছে এবং মাসুদুল ইসলাম রুপন নামক ডিলারের ডিলারশিপ বাতিল করা হয়েছে।