ফেঞ্চুগঞ্জে বন্যার ক্ষতচিহ্নে নিত্য ভোগান্তি পথচারীর ফেঞ্চুগঞ্জে বন্যার ক্ষতচিহ্নে নিত্য ভোগান্তি পথচারীর – ফেঞ্চুগঞ্জ নিউজ
  1. rumelahsan80@gmail.com : Rumel Ahsan : Rumel Ahsan
  2. rumelahsan12@gmail.com : admin :
২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| সোমবার| রাত ১১:৪৭|
সর্বশেষ :
ফেঞ্চুগঞ্জে বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেনের ওপর হামলা, তীব্র নিন্দা ও জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি ফেঞ্চুগঞ্জে সার কারখানায় আধিপত্য নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, চাঁদাবাজির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ‘সিলেট কমিউনিটি অফ ওমান’ সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক হলেন ফেঞ্চুগঞ্জের খসরুজ্জামান ফেঞ্চুগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর সচেতনতামূলক সভা সড়কে ঠিকাদারের লোভের বলি নিরীহ শ্রমিকরা ফেঞ্চুগঞ্জ স্বেচ্ছাসেবক দল থেকে ২ জনকে অব্যাহতি ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ: দাঁত ভাঙল এক যাত্রীর, আরেকজনের ঘাড়ে আঘাত ওসমানীনগরে কোচিং থেকে বাড়ি ফেরার পথে স্কুলছাত্রী নিখোঁজ ফেঞ্চুগঞ্জে পূজা উদযাপন পরিষদের কমিটি গঠন সিলেটে কোনো পাম্পে মিলছে না জ্বালানি তেল

ফেঞ্চুগঞ্জে বন্যার ক্ষতচিহ্নে নিত্য ভোগান্তি পথচারীর

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেটের সময় :বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২২

রুমেল আহসান: বন্যার পানি নেমে যাওয়ার আড়াই মাস পার হলেও মেরামত হয়নি ভেঙে যাওয়া সড়ক। সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম মল্লিকপুর এলাকায় চাঁনপুর-মানিকোনা সড়কে বন্যার ক্ষতচিহ্নে ভোগান্তির শিকার স্থানীয় এলাকাবাসী সহ ফেঞ্চুগঞ্জ ও গোলপাগঞ্জ উপজেলার হাজার হাজার মানুষ।

সম্প্রতি বন্যার পানির তোড়ে সড়কের এই অংশে ভাঙন দেখা দেয়। এতে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় যোগাযোগ ব্যবস্থা। চানপুর-মানিকোনা সড়কটি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতাভুক্ত হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মেরামতের কোন উদ্যোগ নেননি।

জানা যায়, অতিবৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে গেলো জুন মাসে দীর্ঘস্থায়ী বন্যায় কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী পশ্চিম মল্লিকপুর এলাকায় সড়কের এই অংশে ভাঙন দেখা দেয়। ভাঙন মেরামতে এগিয়ে আসেন স্থানীয়রা। ভাঙন মেরামত করার পরও গাড়ি চলাচলের উপযোগী হয়নি সড়কটি। উপজেলার ইলাশপুর হয়ে কুতুবপুর-মানিকগঞ্জ বাজার ভায়া সড়ক দিয়ে ফেঞ্চুগঞ্জ-মানিকোনা-গোলাপগঞ্জ সড়কে যানবাহন চলাচল করছে।

স্থানীয়রা জানান, ভাঙন মেরামতে কেউ নগদ টাকা, কেউ বস্তা, ইট ও বালু দিয়ে সাহায্য করেছেন। যাদের আর্থিক সামর্থ্য নেই তারা শ্রম দিয়ে মেরামত কাজে শরিক হয়েছেন। এছাড়াও বন্যায় ইলাশপুর এলাকায় কুতুবপুর-মানিকোনা সড়কের ভাঙন দেখা দেয়। সেই সড়কের ভাঙনও স্থানীয়রা সেচ্ছাশ্রমে মেরামত করেন।

পশ্চিম মল্লিকপুর গ্রামের বাসিন্দা ইসমাঈল মিয়া বলেন, ভাঙনের কারণে আমরা ভোগান্তিতে পড়েছি। যেকোনো প্রয়োজনে গাড়ি নিয়ে ফেঞ্চুগঞ্জ বাজারে বা অন্য জায়গায় যেতে হলে দীর্ঘ সময় নিয়ে ভায়া সড়ক দিয়ে যেতে হয়। সজিব আহমদ নামে এক যুবক বলেন, সড়কের ভাঙন মেরামত করার জন্য আমরা স্থানীয় লোকজন দিন-রাত কাজ করেছি। মানুষের ভোগান্তি লাঘব করার জন্য আমরা উদ্যোগ নিয়েছিলাম। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ভাঙন মেরামতে কোনো উদ্যোগ নেয়নি। যার কারণে আড়াই মাস পার হলেও সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়নি।

গঙ্গাপুর গ্রামের জামিল আহমদ বলেন, এই সড়ক দিয়ে চানপুর থেকে গঙ্গাপুর গ্রামে গাড়ি দিয়ে যেতে পাঁচ মিনিট সময় লাগে। কিন্তু সড়কের ভাঙনের কারণে এই সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল করছে না। যার কারণে ভায়া সড়ক দিয়ে আধ ঘন্টায় যেতে হয়। সড়ক মেরামত করা হলে আমরা এলাকাবাসীর দুর্ভোগ লাঘব হতো।

উত্তর ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমরান উদ্দিন বলেন, সম্প্রতি বন্যায় সড়কটি ভেঙে গেছে। সড়কটি দিয়ে যানবাহন চলাচল না করায় স্থানীয়দের ভোগান্তি চরমে। এলজিইডি অফিসের ইঞ্জিনিয়ার গত কয়েকদিন আগে আমাকে জানিয়েছেন সড়কের ভাঙন মেরামতের জন্য বরাদ্দ চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা এলজিইডি’র প্রকৌশলী সুদর্শন সরকার বলেন, সড়ক সংস্কারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। অনুমোদন হয়ে গেলে শীঘ্রই সড়কের সংস্কার কাজ করা হবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন

© ২০২৫ ফেঞ্চুগঞ্জ নিউজ। সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত।
এই ওয়েবসাইটের ডিজাইন ও কারিগরি উন্নয়ন করেছে Bangla IT