লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত ফেঞ্চুগঞ্জবাসী লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত ফেঞ্চুগঞ্জবাসী – ফেঞ্চুগঞ্জ নিউজ
  1. rumelahsan80@gmail.com : Rumel Ahsan : Rumel Ahsan
  2. rumelahsan12@gmail.com : admin :
৩০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| শনিবার| রাত ৮:৫৫|
সর্বশেষ :
সিলেটে কোরবানির পশু জবাই করতে গিয়ে আহত অর্ধশতাধিক ফেঞ্চুগঞ্জে বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেনের ওপর হামলা, তীব্র নিন্দা ও জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি ফেঞ্চুগঞ্জে সার কারখানায় আধিপত্য নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, চাঁদাবাজির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ‘সিলেট কমিউনিটি অফ ওমান’ সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক হলেন ফেঞ্চুগঞ্জের খসরুজ্জামান ফেঞ্চুগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর সচেতনতামূলক সভা সড়কে ঠিকাদারের লোভের বলি নিরীহ শ্রমিকরা ফেঞ্চুগঞ্জ স্বেচ্ছাসেবক দল থেকে ২ জনকে অব্যাহতি ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ: দাঁত ভাঙল এক যাত্রীর, আরেকজনের ঘাড়ে আঘাত ওসমানীনগরে কোচিং থেকে বাড়ি ফেরার পথে স্কুলছাত্রী নিখোঁজ ফেঞ্চুগঞ্জে পূজা উদযাপন পরিষদের কমিটি গঠন

লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত ফেঞ্চুগঞ্জবাসী

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেটের সময় :শুক্রবার, জুন ২, ২০২৩

রুমেল আহসান:: ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট তীব্র আকার ধারণ করেছে। ঘন ঘন বিদ্যুৎ যাওয়া-আসা আর লোডশেডিং নিত্যদিনের ঘটনা। দিনে বা রাতে একাধিক বার বিদ্যুৎ যায় আর আসে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষেরা। ফেঞ্চুগঞ্জের কোনো কোনো এলাকায় ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাত অবধি ফেঞ্চুগঞ্জের কয়েকটি এলাকায় ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দেয়। ফেঞ্চুগঞ্জ সদর ইউনিয়নে রাত ১০টায় বিদ্যুৎ চলে যায়, আসে রাত ১২টায়। এরপর রাত ১টায় বিদ্যুৎ চলে যায়, আসে রাত ১টা ৪০ মিনিটে। রাত ৩টা ২৫ মিনিটে বিদ্যুৎ চলে যায়, আসে ভোর ৫টায়।

কখনো ঘোষণা দিয়ে, আবার কখনো ঘোষণা ছাড়াই লাইন সংস্কারের নামে সারাদিন বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান মিলে উপজেলার বিদ্যুতের গ্রাহক প্রাশ ৩০ হাজার। বিদ্যুতের ভোগান্তির জন্য কখনো লোডশেডিং, কখনো সঞ্চালন লাইনে ত্রুটি, কখনো গাছ কাটা আবার কখনো ট্রান্সফরমার বিকল হয়ে যাওয়াসহ নানা সমস্যার কথা বলেন উপজেলা পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তারা।

জানা যায়, ফেঞ্চুগঞ্জে পাঁচটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে- কুশিয়ারা পাওয়ার প্ল্যান্ট ১৬৫ মেগাওয়াট, বারাকা লিমিটেড ৫১ মেগাওয়াট, হোসাফ পাওয়ার লিমিটেড ৫০ মেগাওয়াট এবং সরকারি পিডিবির আওতাধীন দুটি পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে ১৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়ে জাতীয় গ্রিডে যায়৷ ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় বিদ্যুতের চাহিদা ৮ মেগাওয়াট। অথচ নিজ উপজেলায় শত শত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যাচ্ছে জাতীয় গ্রিডে। কিন্তু ফেঞ্চুগঞ্জবাসী বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অতিষ্ঠ।

উপজেলার পিঠাইটিকর গ্রামের বাসিন্দা রুহেল আহমদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আকাশে মেঘ দেখলে চলে যায় বিদ্যুৎ। ঘন্টার পর ঘন্টা থাকে না বিদ্যুৎ। প্রচন্ড গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন।

উত্তর কুশিয়ারা ও উত্তর ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়নের বাসিন্দারা বিদ্যুতের ভেলকিবাজিতে অতিষ্ঠ বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা । শুধু ঝড়-বৃষ্টিতে নয়। প্রচন্ড গরমে যেকোনো সময় ঘন্টার পর ঘন্টা থাকে না বিদ্যুৎ। মানিকোনা গ্রামের জমশের উল্লা ও গিয়াস উদ্দিন বলেন, বিদ্যুতের সমস্যার কারণে সবচেয়ে বেশি ভুগছে বয়স্ক অসুস্থ রোগীরা। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে ঘরের ইলেকট্রনিক পণ্য নষ্ট হচ্ছে।

সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ-১ এর ফেঞ্চুগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয় সূত্র জানায়, উপজেলায় দশটি বিদ্যুৎ (ফিডার) সঞ্চালন লাইন রয়েছে। এসব সঞ্চালন লাইনের ক্রটির কারণে প্রতিদিন কোনো না কোনো এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রাখতে হচ্ছে।

সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ-১ এর ফেঞ্চুগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের ডিজিএম সনৎ কুমার ঘোষ বলেন, সারাদেশে লোডশেডিং চলছে। গরমের এই সময়টায় এসি, এয়ারকুলার ও ফ্যানের ব্যবহার বেড়ে যায়। অতিরিক্ত লোড চলে আসায় সঞ্চালন লাইনে ক্রটি দেখা দেয়, লাইন পুড়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, অনেক সময় ট্রান্সফরমারের ধারণক্ষমতার তুলনায় বৈদ্যুতিক সংযোগ বেশি থাকায় ট্রান্সফরমার বিকল হয়। ফলে অনেক এলাকা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। সংস্কারকাজের জন্যও অনেক সময় বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ রাখা হয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন

© ২০২৫ ফেঞ্চুগঞ্জ নিউজ। সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত।
এই ওয়েবসাইটের ডিজাইন ও কারিগরি উন্নয়ন করেছে Bangla IT