
সিলেটে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মিছিলের প্রস্তুতিকালে ৩০ জনকে গেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
বৃহস্পতিবার বিকেলে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ৫ম আমলী আদালতে তাদেরকে সোর্পদ করা হলে বিচারক তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
এই ৩০ জনসহ ৩১ জনের নামোল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ২৫/৩০ জনকে আসামী করে মোগলাবাজার থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের বেশিরভাগই সিলেট নগরীর তেররতনের বিভিন্ন কলোনির বাসিন্দা এবং বয়সে কিশোর।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- সিলেট নগরীর তেররতনের সৈয়দ আলিফের ভাড়াটিয়া সাজু আহমদ (২১), একই এলাকার জীবন মিয়া (২১), আরজু মিয়ার কলোনির মাহবুবুর রহমান রনি (২০), আলাল মিয়ার কলোনির তাজু ইসলাম নাহিদ (১৯), মো. রাসেল (১৬), সাকিব আল হাসান (১৬) ও শেখ রাব্বি (১৬), লিটন মিয়ার কলোনির সুমন আহমদ (১৯), মামুন মিয়া (১৯) ও সায়েম আহমদ (১৯), কয়েছ মিয়ার কলোনির ফয়জুল খন্দকার, সোয়েব মিয়ার কলোনির শেখ রবিন (২০), তারেক মিয়ার কলোনির হাসান রেজভী শেখ (২০), সাহেদ মিয়ার কলোনির মাহি (২১) ও মো. রাকিন (১৫), সাব্বির মিয়ার কলোনির শাওন আহমদ (১৫), সাজু মিয়ার কলোনির আরিফ আহমদ আফজল (১৭), জাহিদ আহমদ (১৬), শাহীন মিয়ার কলোনির জানু মিয়া (১৫), রবিউলের বাড়ির ভাড়াটিয়া মো. রবিউল হাসান শাফি (১৫), সাদারপাড়া এ ব্লকের হৃদয় আহমদ (২২), উপশহরের ইশরাত আবাসিক হোটেল সংলগ্ন ৩১৬ নম্বর বাসার আবদুল্লাহ আল রাহিম (১৭), উপশহর জে ব্লকের ২ নং রোডের আকাশ (২১), সোনারপাড়ার সুমন আহমদ (২০), কুমারপাড়া ঝর্ণা/৯১ নম্বর বাসার মো. রফিকুল ইসলাম (৩৫), মীরবক্সটুলা আজাদী গলির মাজিদ আহমদ (১৭), নয়াসড়ক কোরেশি ভিউ এর মো. নাহিদুল ইসলাম (১৫) দক্ষিণ সুরমার পাঠানপাড়া খানবাড়ির জিয়া উদ্দিন (৩৪) ও হবিগঞ্জের লাখাই থানার সজনগ্রামের গাজী মিয়া (২০)।
এছাড়া মামলায় পলাতক আসামি হিসেবে শাহপরাণ থানাধীন শিবগঞ্জ হাতিমবাগের উছতার আলীর ছেলে আবদুল হামিদ (২৩) এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
এরআগে বৃহস্পতিবার সকালে মোগলাবাজার থানাধীন শ্রীরামপুর বাইপাস এলাকায় মিছিলের প্রস্তুতিকালে পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুটি হাইয়েস গাড়ি আটক করে। এসময় গাড়ির ভেতর থেকে ৩০ জনকে আটক করা হয়। তবে আরও দুটি হাইয়েস গাড়ি ও মোটরসাইকেলে কয়েকজন পালিয়ে যায়।
