বন্যার্তদের পাশে ইউপি চেয়ারম্যান আহমেদ জিলু বন্যার্তদের পাশে ইউপি চেয়ারম্যান আহমেদ জিলু – ফেঞ্চুগঞ্জ নিউজ
  1. rumelahsan80@gmail.com : Rumel Ahsan : Rumel Ahsan
  2. rumelahsan12@gmail.com : admin :
২৬শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| মঙ্গলবার| সকাল ৬:৫৬|
সর্বশেষ :
ফেঞ্চুগঞ্জে বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেনের ওপর হামলা, তীব্র নিন্দা ও জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি ফেঞ্চুগঞ্জে সার কারখানায় আধিপত্য নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, চাঁদাবাজির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ‘সিলেট কমিউনিটি অফ ওমান’ সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক হলেন ফেঞ্চুগঞ্জের খসরুজ্জামান ফেঞ্চুগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর সচেতনতামূলক সভা সড়কে ঠিকাদারের লোভের বলি নিরীহ শ্রমিকরা ফেঞ্চুগঞ্জ স্বেচ্ছাসেবক দল থেকে ২ জনকে অব্যাহতি ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ: দাঁত ভাঙল এক যাত্রীর, আরেকজনের ঘাড়ে আঘাত ওসমানীনগরে কোচিং থেকে বাড়ি ফেরার পথে স্কুলছাত্রী নিখোঁজ ফেঞ্চুগঞ্জে পূজা উদযাপন পরিষদের কমিটি গঠন সিলেটে কোনো পাম্পে মিলছে না জ্বালানি তেল

বন্যার্তদের পাশে ইউপি চেয়ারম্যান আহমেদ জিলু

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেটের সময় :বুধবার, জুন ২৯, ২০২২

রাত-দিন কাটছে তার বন্যা দুর্গত এলাকায়। কখনো নৌকায়, কখনো কোমর পানি মাড়িয়ে মিশে যাচ্ছেন বন্যার্তদের কাতারে। পানিবন্দী মানুষের ঘর থেকে আশ্রয় কেন্দ্র- সবখানে তার কাঙ্খিত পদচারণা।

বন্যার্ত মানুষকে খাওয়াচ্ছেন রান্না করা খাবার। কেউ যেনো অভুক্ত না থাকে সে নজরদারিতেও কমতি নেই ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ৪নং উত্তর কুশিয়ারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আহমেদ জিলুর।

ব্যক্তিগত উদ্যোগে ও অর্থায়নে নিজ ইউনিয়নের বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এ ভয়াবহ পরিস্থিতিতে যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাতে তিনি প্রশংসিত হচ্ছেন।

জানা যায়, উত্তর কুশিয়ারা ইউনিয়নে সরকারি বরাদ্দের পাশাপাশি পারিবারিক ও ব্যক্তিগতভাবে চেয়ারম্যান জিলু বন্যার শুরু থেকে ত্রাণ বিতরণ করছেন। ইউনিয়নের বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে দিচ্ছেন রান্না করা খাবার।

দিন-রাত পানিবন্দী মানুষের পাশে ছুটে চলা জিলুর নির্ঘুম রাত কাটছে। এভাবে পরম মমতায় মানুষের পাশে ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে ভোররাত থেকে ছুটে যাচ্ছেন এই ইউপি চেয়ারম্যান।

ইউপি চেয়ারম্যান আহমেদ জিলু বলেন বলেন, সরকারি বরাদ্দের পাশাপাশি আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই পর্যন্ত দেড় হাজার পানিবন্দী মানুষের মধ্যে শুকনো খাবার ও প্রায় দুই হাজার মানুষের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছি।

তিনি আরও বলেন, বন্যা একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। আল্লাহর রহমত ছাড়া আমরা এই দুর্যোগ কাটিয়ে উঠতে পারব না। বন্যার্ত মানুষের জন্য আমি আমার সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের পাশে আছি। কোনো মানুষ যেন না খেয়ে থাকে, সেজন্য খবর পাওয়া মাত্র আমি নিজেই খাদ্য সামগ্রী নিয়ে ছুটে যাচ্ছি। পানিবন্দী মানুষের হাতে তুলে দিচ্ছি খাদ্য সামগ্রী। ত্রাণ পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে অনেকে কাঁদেন। মানুষ কতটা অসহায় এই দুর্যোগে, তখন বুঝা যায়।

আহমেদ জিলু বলেন, ফেঞ্চুগঞ্জে বন্যার্ত মানুষের মধ্যে সরকারি, বিভিন্ন রাজনৈতিক-সামাজিক সংগঠন ও ব্যক্তি উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। আমি মনে করি, সমন্বয়ের মাধ্যমে এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে একজনও মানুষ না খেয়ে থাকবেন না। বন্যার এই দুর্যোগ থেকে মুক্তি পেতে আসুন আমরা বেশি বেশি করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই ও দোয়া করি আল্লাহ আমাদের জানমালের হেফাজত করবেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংবাদটি শেয়ার করুন

© ২০২৫ ফেঞ্চুগঞ্জ নিউজ। সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত।
এই ওয়েবসাইটের ডিজাইন ও কারিগরি উন্নয়ন করেছে Bangla IT