
স্টাফ রিপোর্টার: সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, একমাত্র বিএনপি সিলেটে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে। অথচ সরকারি দলের নেতারা লোক দেখানো ত্রাণ বিতরণের নামে ফটোসেশনে ব্যস্ত। এতে প্রমাণিত হয় এরা জনগণের পাশে দাঁড়াবার সাহস রাখে না, শুধু মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে জনগণের সাথে প্রতারণা করতেছে।
সিলেট জেলা বিএনপির উদ্যোগে ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র তত্ত্বাবধানে ফেঞ্চুগঞ্জের পিঠাইটিকর গ্রামে বন্যার্ত মানুষের মধ্যে রান্না করা খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি কাইয়ূম চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক দিনার আহমদ শাহ্ – এর পরিচালনায় বক্তব্যে এড. এমরান আহমদ চৌধুরী বলেন, আওয়ামী লীগের রোষানলে পড়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া একপ্রকার গৃহবন্দী। অনতিবিলম্বে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে জনগণের পাশে ফিরিয়ে দেওয়া হোক।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন- ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ওহিদুজ্জামান ছুফি চৌধুরী, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এডভোকেট সাঈদ আহমদ, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি ছাদিকুর রহমান টিপু, সহ সভাপতি শাহেদ আহমদ, সমবায় বিষয়ক সম্পাদক জয়ফুর রহমান পারভেজ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম খান, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক শাহীন আহমদ, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ তায়েফুজ্জামান, বিএনপি নেতা জামাল আহমদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক ডা. আজাদ, এসহান জাহেদ, বালাগঞ্জ উপজেলা বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন আহমদ, ফেঞ্চুগঞ্জ ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সহ আইন বিষয় সম্পাদক সজিব আহমদ, উপজেলা বিএনপি সহ ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক কমল হাসান বাবর, সহ তথ্য গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আখলাকুল করিম রিমন, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মেহেদী হাসান রফি, যুগ্ম আহবায়ক হাফিজুল করিম সায়মন, রাহিবুল হাসান চৌধুরী সুজন, দাহিরুল করিম রানা, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক শাহীন আহমদ, রুহের চৌধুরী, পল্লভ, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি শামীম আহমদ, বিএনপি নেতা জামাল আহমদ, উপজেলা বিএনপি সহ ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক নুরুল ইসলাম নাহিদ, ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক মাহবুবুর রহমান শাওন, মছনুন আহমদ, শাফি চৌধুরী,মারুফ চৌধুরী, জায়েদ আহমদ, সেজু আহমদ, আরমান আহমদ, মঞ্জিল আহমদ, মনসুর আহমদ, সুহেল আহমদ,ছোটন মিয়া ও চমক মিয়া প্রমুখ।
ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করার লক্ষ্যে ফেঞ্চুগঞ্জে বন্যাদুর্গত এলাকায় দুই হাজার পরিবারের মধ্যে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়।