
কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা আবেদ রাজা বলেন, ফেঞ্চুগঞ্জ বাজার রক্ষার জন্য ছত্রিশ ও পিঠাইটিকর গ্রামের মধ্যস্থলে বুড়িকিয়ারী বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। অনেকে মনে করেন, বুড়িকিয়ারী বাঁধের কারণে হাকালুকি হাওরের পানি কুশিয়ারা নদীতে এসে নামে না। আসলে হাওর ভরাট হওয়ার কারণে হাকালুকি হাওর তীরবর্তী কুলাউড়া উপজেলা সহ অন্যান্য উপজেলায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।
তিনি আরও বলেন, হাওরের তলদেশ খনন করা হয়নি। যার কারণে পানি জুড়ি নদী হয়ে নামতে পারছে না। পানি বাধাগ্রস্ত হয়ে জলাবদ্ধতা দেখা হয়। হাওরের পানির প্রবাহকে স্বাভাবিকভাবে চলতে দেওয়া উচিৎ। এ জন্য জরুরি ভিত্তিতে জুড়ি নদীর বাঘমারা গ্রাম থেকে উজানের দিকে খনন করতে হবে। বুড়িকিয়ারী বাঁধের দুপাশের পানি লেভেল (পানির পরিমাপ) সমান। এই জনপদ ও ঐতিহ্যবাহী ফেঞ্চুগঞ্জ বাজার রক্ষা করা যেমন প্রয়োজন, তেমনি পার্শ্ববর্তী কুলাউড়া, জুড়ী উপজেলার মানুষকে জলাবদ্ধতার কবল থেকে রক্ষা করতে হবে। আমরা সম্মিলিতভাবে এই বিষয়ে কাজ করতে চাই।
বুধবার (২০ জুলাই) বিকাল ৪টায় ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার বুড়িকিয়ারী বাঁধ পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
আবেদ রাজা ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ওহিদুজ্জামান ছুফি চৌধুরীর নেতৃত্বে বাঁধ পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন- কুলাউড়া উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি জয়নাল আবেদিন বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সজল, কুলাউড়া উপজেলা বিএনপি’র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সমবায় বিষয়ক সম্পাদক জয়ফুর রহমান পারভেজ, প্রচার সম্পাদক দিনার আহমদ শাহ, কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ছয়ফুল ইসলাম, কুলাউড়া টিলাগাও ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন, কুলাউড়া উপজেলা শ্রমিক দলের দপ্তর সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন (ডালু) ও কুলাউড়া উপজেলা ছাত্রদল নেতা এমকে হিরো।
আগামী শুষ্ক মৌসুমে বুড়িকিয়ারী বাঁধ পরিদর্শনে আসবেন বলে জানিয়েছেন আবেদ রাজা।