
রুমেল আহসান:: ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ১নং ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী তৈয়বুর রহমান শাহিনের পক্ষে জোর প্রচারণায় নেমেছেন ছত্তিশ, পিঠাইটিকর ও বাঘমারা গ্রামের বাসিন্দারা। ওই তিন গ্রামের আঞ্চলিকতা অনেক আলোচিত। গত ২০১৮ সালের ১নং ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ছত্তিশ, পিঠাইটিকর ও বাঘমারা গ্রামের মনোনীত প্রার্থী কাজী মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করে বিজয়ী হন।
এবারের নির্বাচনেও ‘ভোট ব্যাংক’ হিসেবে পরিচিত ওই তিন গ্রাম থেকে মনোনীত করে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা থাকলেও আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ছত্তিশ গ্রাম থেকে মনোনীত করায় স্বতন্ত্র প্রার্থী কাউকে করা হয়নি।
জানা যায়, ইউনিয়ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত ৩রা ফেব্রুয়ারি ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় ১নং ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মনোনীত হন উপজেলা তাঁতী লীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাহিল আহমদ। শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকার কারণে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি তৈয়বুর রহমান শাহিনকে সমর্থন দেন সাহিল আহমদ। নৌকার মাঝি হন শাহিন।
এদিকে, নির্বাচনে তৈয়বুর রহমান শাহিনকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন ছত্তিশ, পিঠাইটিকর ও বাঘমারা গ্রামের তরুণ-বৃদ্ধ সকলে। দলমত নির্বিশেষে বিজয়ের মালা শাহিনের গলায় পড়াতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কর্মী-সমর্থকরা।
উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় এগিয়ে নিতে নৌকা মার্কায় ভোট চেয়ে গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন তৈয়বুর রহমান শাহিন। বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পিঠাইটিকর গ্রামে গণসংযোগ করেন তিনি। এ সময় ভোটারদের কাছে নৌকা মার্কায় ভোট চান।
ফেঞ্চুগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা বলেন, আমাদের তিন গ্রামের (ছত্তিশ, পিঠাইটিকর ও বাঘমারা) পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী তৈয়বুর রহমান শাহিনকে সমর্থন দেওয়া হয়েছে। আমাদের এলাকার জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে শাহিন ভাইকে জয়যুক্ত করবেন ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, গেলো বার আমাকে তিন গ্রামের মনোনীত প্রার্থী করা হয়েছিল। সকলের দোয়া ও ভালোবাসায় আমি বিজয়ী হয়েছিলাম। আমি আমার সর্বোচ্চ দিয়ে মানুষের খেদমত করার চেষ্টা করেছি। আমি অতীতে যেভাবে মানুষের পাশে ছিলাম, বর্তমানেও আছি, ভবিষ্যতে থাকবো ইনশাআল্লাহ।