
ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় দিনেরবেলা লোডশেডিং না হলেও মধ্যরাতে চলে যায় বিদ্যুৎ। গভীর রাতে লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ উপজেলার বিশটি গ্রামের মানুষ।
জানা যায়, ফেঞ্চুগঞ্জ সদর ও মাইজগাঁও ইউনিয়নে এক সপ্তাহ ধরে মাঝরাতে চলে যায় বিদ্যুৎ। কখনো রাত ২টায় বিদ্যুৎ চলে যায়, আসে রাত ৩টায়। আবার কখনো রাত ২টা ৩০ মিনিটে বিদ্যুৎ চলে যায়, আসে রাত ৩টা ৩০ মিনিটে। গভীর রাতে এমন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনসাধারণ।
উপজেলার পিঠাইটিকর গ্রামের বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, রাত ১টা বা ২টায় ঘুমাতে গেলেই বিদ্যুৎ চলে যায়। এক ঘণ্টা পর আসে। ঘুম কিছুটা গভীর হওয়ার আগে দুইটার দিকে আবার বিদ্যুৎ চলে যায়। এরপর আধা ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। পাঁচ দিন ধরে এমন চলছে। ঘুমাতে পারছে না কেউ।
ব্যবসায়ী আকবর হোসেন বলেন, সারাদিন দোকান থেকে এসে রাতে খাবার খেয়ে যখন চোখে ঘুম লাগে, তখন বিদ্যুৎ চলে যায়। এক ঘন্টার বেশি সময় বিদ্যুৎ থাকে না।
সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ-১ এর ফেঞ্চুগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয় সূত্র জানায়, উপজেলায় দশটি বিদ্যুৎ (ফিডার) সঞ্চালন লাইন রয়েছে। এসব সঞ্চালন লাইনের ত্রুটির কারণে প্রতিদিন কোনো না কোনো এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রাখতে হচ্ছে। গরমের এই সময়টায় এসি, এয়ারকুলার ও ফ্যানের ব্যবহার বেড়ে যায়। অতিরিক্ত লোড চলে আসায় সঞ্চালন লাইনে ত্রুটি দেখা দেয়, লাইন পুড়ে যায়। অনেক সময় ট্রান্সফরমারের ধারণক্ষমতার তুলনায় বৈদ্যুতিক সংযোগ বেশি থাকায় ট্রান্সফরমার বিকল হয়ে যায়।
এ ব্যাপারে জানতে সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ-১ এর ফেঞ্চুগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) সনৎ কুমার ঘোষকে একাধিকবার মুঠোফোনে কল দিলে তিনি কল রিসিভ করেননি।