
সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। খুন, ধর্ষণ, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের মতো গণবিরোধী অপরাধ ঠেকাতে টহল কার্যক্রম ও চেকপোস্ট জোরদার করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার জরুরি নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে গ্রেফতার হয়েছে ২৪৮ অপরাধী।
গ্রেফতার ব্যক্তিদের বেশির ভাগই চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির মতো অপরাধে জড়িত বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। তবে হঠাৎ তাদের বেপরোয়া কার্যক্রমের পেছনে কেউ ইন্ধন জুগিয়েছে কি না, সেই প্রশ্ন সামনে রেখে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পুলিশ বলছে, গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে কিশোর গ্যাং গ্রুপের সংশ্লিষ্টতাও পাওয়া গেছে। তাদের পেছনে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার বিষয়টি তদন্তে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। অপরাধীরা কেন হঠাৎ বেপরোয়া হয়ে উঠেছে, এর পেছনের কারণও খোঁজা হচ্ছে। তাদের পেছনে কোনো রাজনৈতিক শক্তি বা গোষ্ঠী কাজ করছে কি না, তা জানতে গ্রেফতার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান তার এলাকা থেকে ১২ জনকে গ্রেফতারের তথ্য জানিয়ে বলেন, গ্রফতার ব্যক্তিদের কেউ পৃষ্ঠপোষকতা করছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।